পাহাড় অশান্ত করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না, বললেন রাশেদ খান
পাহাড়কে অশান্ত করে কোনো ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরে জুমার নামাজ শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড় বাংলাদেশের। পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেশী কিছু দেশ বছরের পর বছর ধরে ষড়যন্ত্র করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, পাহাড়ের কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র তারা কোথায় পাচ্ছে?
এ ধরনের কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন তিনি। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী সোচ্চার রয়েছে এবং তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তৎপর রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
এ ছাড়া বিরোধী দল ঘোষিত খুলনা বিভাগের লংমার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, জামায়াত-এনসিপি জোটের লংমার্চ আগেও সফল হয়নি, খুলনা বিভাগের লংমার্চও সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
রাশেদ খান আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এখন আর ১১ দলীয় ঐক্যজোট নেই। দুটি দল বের হয়ে গেছে। সামনে জামায়াতের আরও শরিক দল বের হয়ে যাবে বলেও তিনি দাবি করেন।
বক্তব্যের আগে শুক্রবার তিনি চুয়াডাঙ্গা মোড়ে অবস্থিত ঝিনাইদহ শহরের পাবলিক হেলথ জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্থানীয় লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কুশল বিনিময়ের ফাঁকেই রাজনৈতিক নানা প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী।
পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে তাঁর বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথাই তিনি আবার তুলে ধরলেন।
অন্যদিকে বিরোধী জোটের লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট, সরকারপক্ষ এই কর্মসূচিকে সফল হওয়ার মতো কোনো কর্মসূচি হিসেবে দেখছে না। জোটের শরিক দলগুলোর বের হয়ে যাওয়ার দাবি ঘিরেও রাজনৈতিক আলোচনা চলতে পারে।
ঝিনাইদহে সংক্ষিপ্ত এই কর্মসূচি শেষে রাশেদ খানের বক্তব্য স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।






