গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় বিশেষ অভিযান: এক শিশুসহ গ্রেপ্তার ২৮
রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানাধীন রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
এলাকাটি সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের অভিযানের পর আলোচনায় আসে। সেই আলোচিত এলাকাতেই এবার পুলিশের বিশেষ অভিযানে একসঙ্গে এতজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
গেন্ডারিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া থানাধীন রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানটি ছিল এলাকাভিত্তিক বিশেষ অভিযান, যার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শামসুল হক (২৬), মো. ইকবাল হোসেন জিহাদ (২৩), আরাফাত হোসেন শামীম (২০), মো. আব্দুল্লাহ রাহুল (১৮), মোহাম্মদ হোসেন (২৬), সাইমুর (২২), ইমন (২১), অভি (২১), মো. রাফিন (২০) এবং জুনায়েদ হোসেন (২০)।
তালিকায় আরও রয়েছেন মো. সাইদ হোসেন (১৯), আনোয়ার হোসেন (২৯), মো. ইমরান আরাফাত (১৯), মো. মারুফ হোসেন (১৯), সাহিদুর (৩০), মো. উজ্জল (৩৬), মো. রবিন (৩৫), মো. মাসুদ (৩৫), মো. দুলু (৩৫) এবং ফরিদ বেপারী (৪৫)।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. জনি (২৬), কবির (৩০), ইউসুফ (২৩), মো. আল রাব্বি (২৩), মো. শুভ (২২), মো. শাওন (৩৫) ও মো. সেন্টু মিয়া (৫০)। গ্রেপ্তার ২৮ জনের মধ্যে আইনের সংঘাতে জড়িত এক শিশুও রয়েছে বলে ডিএমপি জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়সের তালিকা থেকে দেখা যায়, তাদের একটি বড় অংশই তরুণ—১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। সবচেয়ে বেশি বয়সী হিসেবে তালিকায় রয়েছেন ৫০ বছর বয়সী মো. সেন্টু মিয়া।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অর্থাৎ অভিযানের পর এখন প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর অভিযানের পর আলোচনায় আসা একটি এলাকায় পুলিশের এই বিশেষ অভিযান স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে মনোযোগ তৈরি করেছে। একই এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান এলাকাটিকে নজরদারির মধ্যে রাখার ইঙ্গিত দেয়।
তবে অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন কোন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, ডিএমপির দেওয়া প্রাথমিক তথ্যে তার বিস্তারিত উল্লেখ নেই; শুধু বলা হয়েছে তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এখন গ্রেপ্তার ২৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা সম্পন্ন করাই পরবর্তী ধাপ। ডিএমপি বলেছে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে।






