তাসকিনের জোড়া আঘাতে শুরু, ফাইনালের সমীকরণে আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে আটকানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের
স্বল্প পুঁজি নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বল হাতে লড়াই শুরু করে বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণে টাইগারদের লক্ষ্য, আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখা।
সেই লক্ষ্যে শুরুতেই সাফল্য এনে দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। নিজের দ্বিতীয় ওভারে রহমানুল্লাহ গুরবাজকে ফিরিয়ে আফগানিস্তানের প্রথম উইকেট তুলে নেন তিনি।
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের দেওয়া ১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে আফগানিস্তান। দুই প্রান্ত থেকে নতুন বল হাতে আক্রমণ শুরু করেন তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে গুরবাজকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন। ৮ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন আফগান এই ওপেনার।
গুরবাজের বিদায়ের পর সেদিকুল্লাহ আতালকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান ইব্রাহিম জাদরান। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ান তাসকিন। আতালকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানিয়েছেন তিনি বোল্ড আউট করে।
আতালকেও ফিরিয়েছেন এই পেসার। ৭ ওভার শেষে আফগানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটের বিনিময়ে ৪০ রান।
তবে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জটা কেবল ম্যাচ জেতার নয়, ফাইনালে ওঠার সমীকরণ মেলানোরও। ১৬১ রানের লক্ষ্য দিলেও নির্ধারিত সমীকরণ অনুযায়ী আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হবে টাইগারদের।
ফলে স্বল্প পুঁজি নিয়েও ম্যাচে টিকে থাকতে বোলারদের ওপরই ভরসা বাংলাদেশের। তাসকিনের শুরুর জোড়া আঘাত সেই ভরসাকেই প্রাণ দিয়েছে।
এর আগে, টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগান বোলারদের তোপে পড়ে বাংলাদেশ। শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা।
তবে পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দল। ইমন ৭০ রান এবং সাইফ ৪১ রান করেন।
তাঁদের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ ৪১.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান সংগ্রহ করে। অর্থাৎ আফগানিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬১ রান।
আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান একাই শিকার করেন ৪ উইকেট। আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও আহমাদজাই নেন দুটি করে উইকেট।
ম্যাচের বাকি অংশে এখন বাংলাদেশের বোলারদের ধারাবাহিকতাই ঠিক করবে, শুধু জয় নয়, ফাইনালের সমীকরণও মেলে কি না।




