লাল বেনারসি আর সোনালি চোকারে কুমোরটুলির আবহে জয়া আহসান, ক্যাপশনে ‘ভেতরের দুর্গা’র কথা
দুর্গাপূজার আবহে নতুন সাজে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। লাল বেনারসি, সোনালি জরির ঝলক আর গলায় নজরকাড়া চোকার—ঐতিহ্যবাহী সাজের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তোলা ছবিগুলো ইতিমধ্যে ভক্তদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
ছবিগুলো তোলা হয়েছে প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততা আর কুমোরটুলির আবহে। মৃৎশিল্পীদের কর্মযজ্ঞের পটভূমিতে জয়ার এই সাজ যেন পূজার আবহের সঙ্গে মিলেমিশে গেছে।
তবে সাজের বাইরেও ছবির সঙ্গে জয়ার লেখা কয়েকটি শব্দ ভাবাচ্ছে ভক্তদের। ফেসবুকে ছবিগুলো শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘দেবী সত্তা কোনো অলংকার নয়, এক অন্তর্নিহিত শক্তি.. আমার ভেতরের আলোয়..আমার ভেতরের দুর্গা…’
জয়ার সাজে লাল শাড়ির সঙ্গে সোনালি নকশার সমন্বয় আলাদা করে নজর কাড়ে। শাড়ির আধুনিক ড্রেপিং, খোলা কাঁধ আর একই রঙের টাইট-ফিট পায়জামায় এসেছে সমসাময়িক ফ্যাশনের ছোঁয়া।
গলায় ভারী সোনালি চোকারই ছিল সাজের প্রধান অলংকার। অন্যদিকে, সংযত মেকআপ পুরো সাজটিকে দিয়েছে পরিমিত ও মার্জিত সৌন্দর্য, যা ছবিগুলোতে স্পষ্ট।
ছবিগুলোতে ভক্তদের প্রতিক্রিয়াও বেশ বৈচিত্র্যময়। কেউ জয়ার রূপের প্রশংসা করেছেন, কেউ মুগ্ধ হয়েছেন তার পোশাক নির্বাচনে। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘বাহবা, একেবারে দেবীর মতোই লাগছে।’
আরেকজনের মন্তব্য, ‘তোমার কস্টিউম সেন্স অসাধারণ। এজন্যই তুমি জয়া আহসান। সাধারণের মধ্য থেকে অসাধারণ চরিত্র। তোমার জন্য সব সময় শুভকামনা।’
তবে প্রশংসার পাশাপাশি এসেছে ছোটখাটো আপত্তিও। এক ভক্তের মন্তব্য, ‘এখানে জুতো না পরলেই ভালো লাগতো।’ একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জয়ার সবকিছুই তার ভালো লাগে বলেই এমন পরামর্শ দিয়েছেন।
অনেকে আবার জানিয়েছেন শারদীয়ার শুভেচ্ছা ও বিজয়ার শুভকামনা। পূজার মৌসুমে প্রকাশিত ছবিগুলো ভক্তদের কাছে উৎসবের আবহের অংশ হয়েই ধরা দিয়েছে।
দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভिनেত্রীর সাজ নিয়ে আলোচনা নতুন নয়; বরাবরই তার পোশাক নির্বাচন ও স্টাইল নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ থাকে। এবারের সাজ থেকেও পূজার ফ্যাশনে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন অনেকেই—উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, একটি আকর্ষণীয় গয়না আর হালকা মেকআপেই তৈরি হতে পারে নিজস্ব স্টাইল।
আর ছবির সঙ্গে তার বার্তাটি মনে করিয়ে দেয়, দেবী সত্তার প্রকাশ শুধু সাজে নয়, আত্মবিশ্বাস ও অন্তরের শক্তিতেও—জয়ার এই ভাবনাই এবারের ছবিগুলোকে শুধু ফ্যাশনের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য মাত্রা দিয়েছে।




