…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › আমেরিকা › খবর
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — আবদুল কুদ্দুস, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ
আমেরিকা

মধ্যবর্তী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আস্থা ১০ আমেরিকানের মধ্যে ৬ জনের, তবে হারলে ট্রাম্প ফল মানবেন কিনা সন্দেহ ৭০ শতাংশের

নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আস্থা প্রকাশ করেছেন প্রায় ১০ জন আমেরিকানের মধ্যে ছয়জন। তবে একই জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকানরা হারলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই ফল মেনে নেবেন কিনা, তা নিয়ে অধিকাংশ আমেরিকানই আস্থাহীন।

এবিসি নিউজ, ওয়াশিংটন পোস্ট ও ইপসসের যৌথ জরিপ অনুযায়ী, মধ্যবর্তী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুল হবে বলে আস্থা রয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ আমেরিকানের। নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে এই হার দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। তবে এর উল্টো দিকটি হলো প্রায় ১০ জনে চারজন আমেরিকান এবং নিবন্ধিত ভোটারদের প্রায় ১০ জনে তিনজন এই আস্থা রাখেন না।

দলীয় হিসেবে ডেমোক্র্যাটদের ৭০ শতাংশ ও রিপাবলিকানদের ৬৭ শতাংশ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আস্থাশীল। স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে এই হার তুলনামূলক কম, ৫১ শতাংশ। স্বতন্ত্রদের ৪৭ শতাংশের নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আস্থা নেই, যেখানে দলীয় সমর্থকদের মধ্যে এই অনাস্থার হার এক-তৃতীয়াংশের নিচে।

ভোট সঠিকভাবে গণনা হবে বলে আস্থা প্রকাশ করেছেন ৬৫ শতাংশ আমেরিকান, যাদের মধ্যে ২৬ শতাংশ ‘খুব আস্থাশীল’। নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে এই হার ৭২ শতাংশ। আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ও ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের জরিপগুলোর সঙ্গে এই ফলাফল মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ, যদিও ‘খুব আস্থাশীল’ উত্তরদাতার সংখ্যা এবার কিছুটা কমেছে।

জরিপের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিকটি ট্রাম্পকে ঘিরে। রিপাবলিকান পার্টি হারলে ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন বলে আস্থা নেই ১০ জনে সাতজন আমেরিকানের, যাদের অর্ধেকই বলেছেন তাঁরা ‘মোটেই আস্থাশীল নন’। মাত্র ২৮ শতাংশ আমেরিকান বলেছেন, তাঁরা ‘খুব’ (১০ শতাংশ) বা ‘কিছুটা’ (১৮ শতাংশ) আস্থাশীল যে ট্রাম্প হার মেনে নেবেন।

এই চিত্র ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের ওয়াশিংটন পোস্ট-ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড জরিপের সঙ্গে প্রায় মিলে যায়। সেই জরিপে ৭১ শতাংশ আমেরিকান আস্থাশীল ছিলেন না যে ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারলে ফল মানবেন, আর আস্থাশীল ছিলেন ২৭ শতাংশ।

ট্রাম্প ব্যাপক ভোট জালিয়াতির কারণেই জো বাইডেন ২০২০ সালের নির্বাচনে জিতেছিলেন বলে মিথ্যা দাবি করে আসছেন, যদিও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগেও তিনি বলেছিলেন, ফল ‘সুষ্ঠু ও আইনসম্মত’ হলেই কেবল তিনি তা মেনে নেবেন। এ কারণে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয় হলে ট্রাম্প ফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বা মেনে নিতে অস্বীকার করতে পারেন।

দলীয় বিভাজন এখানে প্রকট। ডেমোক্র্যাটদের ৯৪ শতাংশই আস্থাশীল নন যে ট্রাম্প হার মানবেন, যাদের ৭৯ শতাংশ ‘মোটেই আস্থাশীল নন’। স্বতন্ত্রদের মধ্যেও ৭৭ শতাংশ অনাস্থা প্রকাশ করেছেন, যাদের ৫৫ শতাংশের কোনো আস্থাই নেই। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের ৬৩ শতাংশ আস্থাশীল যে ট্রাম্প ফল মেনে নেবেন, তবে সেই আস্থা দুর্বল — মাত্র ২৫ শতাংশ ‘খুব আস্থাশীল’। ‘মাগা’ রিপাবলিকানদের মধ্যে আস্থার হার ৭৪ শতাংশ।

ট্রাম্প অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন বলে মনে করেন ৬১ শতাংশ আমেরিকান, যা ২০২৫ সালে ছিল ৫৬ শতাংশ। ডেমোক্র্যাটদের ৯২ শতাংশ, স্বতন্ত্রদের ৬৯ শতাংশ ও রিপাবলিকানদের ১৫ শতাংশ এই মত পোষণ করেন। মাত্র ৩৭ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন ট্রাম্প সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডেমোক্র্যাট নেতাদের ক্ষেত্রে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। তাঁরা হারলে ফল মেনে নেবেন বলে আস্থা রয়েছে ৬১ শতাংশ আমেরিকানের, তবে ৩৮ শতাংশ আস্থাশীল নন। ডেমোক্র্যাটদের ৮৮ শতাংশ ও স্বতন্ত্রদের ৫৮ শতাংশ নিজ দলের নেতাদের ফল মেনে নেওয়ার বিষয়ে আস্থাশীল হলেও রিপাবলিকানদের ৬৩ শতাংশ তা মনে করেন না।

নভেম্বরে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ কারা পাবে জানতে চাইলে প্রায় দুই-এক অনুপাতে বেশি উত্তরদাতা ডেমোক্র্যাটদের জয়ের (৩৫ শতাংশ) প্রত্যাশা করেছেন রিপাবলিকানদের (১৬ শতাংশ) তুলনায়। তবে ২৮ শতাংশ বলেছেন লড়াই সমানে সমান, আর ২১ শতাংশ অনিশ্চিত। জরিপে সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে কংগ্রেসের ভোটে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের চেয়ে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন — ৫২ বনাম ৪৪ শতাংশ।

জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ইপসসের নলেজপ্যানেলের মাধ্যমে ৯ থেকে ১৩ অক্টোবর, ২ হাজার ৫৪৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকানের মধ্যে, যাদের মধ্যে ২ হাজার ৩২ জন নিবন্ধিত ও সম্ভাব্য ভোটার। সামগ্রিকভাবে জরিপের ত্রুটির মার্জিন প্লাস-মাইনাস ২ শতাংশ পয়েন্ট। এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে অনাগরিকদের ভোট দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র করেছে, যদিও অনাগরিকদের ভোট ব্যাপকভাবে হয় বা ফলাফল বদলে দিয়েছে — এমন কোনো প্রমাণ নেই।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — জাকির হোসেন, সম্ভাব্য ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী, ৭ নং ওয়ার্ড, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন

আমেরিকা বিভাগের আরও খবর

আমেরিকা

‘ক্যাওস ইঙ্ক’ নেটওয়ার্ক বেড়ে ১০১ সংগঠনে, নতুন দফা বিক্ষোভের প্রস্তুতি ইউরোপজুড়ে

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভের দুই দিন পর নতুন করে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে আন্দোলনকারীরা। আন্তর্জাতিক এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ সংগঠিত, …

আমেরিকা

এআই বুদবুদ ফাটলে দ্বিগুণ ধাক্কা? মন্দা এলেই মানুষের বদলে যন্ত্র বসানোর শঙ্কা আমেরিকায়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বিনিয়োগের জোয়ার যদি হঠাৎ বুদবুদের মতো ফেটে যায়, তাহলে কী হবে? আর সেই ধস থেকে মন্দা এলে নিয়োগকর্তারা যদি আরও দ্রুত …

আমেরিকা

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ঘিরে নৌবাহিনী নামাল বেইজিং, প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের কাছেও তাইওয়ানের সঙ্গে উত্তেজনা

দক্ষিণ চীন সাগরের একটি বিতর্কিত প্রবালদ্বীপের আশপাশের জলসীমায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। চীনের সামরিক বাহিনী …

আমেরিকা

চীনকে ‘বুদ্ধিতে হারাতে’ নৌবাহিনীর রোবট চুক্তির সীমা চার গুণ বাড়িয়ে ৩০ কোটি ডলার করল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শনে ব্যবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোবটের একটি চুক্তির সীমা চার গুণ বাড়িয়ে ৩০ কোটি ডলারে উন্নীত করেছে। জাহাজগুলো…