ইরানে তাৎক্ষণিক সামরিক হামলার পরিকল্পনা নেই, জানালেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের নেই বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও আপাতত তেহরানের ওপর সামরিক আক্রমণ না চালানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
মিশিগানে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দিতে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই অবস্থান জানান। ইরানে হামলা চালানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাবে ট্রাম্প বলেন, আপাতত কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
এর আগে রোববারের প্রথম ভাগে ইরানকে সতর্ক করে কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি হবে, নাকি দেশটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে—মূলত এটিই এখন একমাত্র অমীমাংসিত বিষয়।
একই সাক্ষাৎকারে পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার দাবি করে তিনি বলেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি এখন ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সেখান থেকে ইরান কোনো সুবিধা আদায় করতে পারছে না।
এর আগে শনিবারও সামরিক আঘাত কিংবা কূটনৈতিক সমঝোতা—দুই পথই খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তখন তিনি জানান, তেহরান কোনো দ্বিপক্ষীয় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কি না, তা নিয়ে তাঁর গভীর সন্দেহ রয়েছে।
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের আকাশ হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। পরে জুনে হওয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হয়নি।
এমন টানাপোড়েনের মধ্যেই নভেম্বরের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না চালানোর এই ঘোষণা এল।


