২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ ভুয়া: শিক্ষা বোর্ডের জরুরি সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রচারণার সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর স্বাক্ষরিত এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। ফলাফলের অপেক্ষায় থাকা লাখো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পরই এল এই সতর্কবার্তা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের বিষয়ে অনলাইনে প্রচারিত তথ্যটি ভুয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের গুজব ছড়ানো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করা থেকে সর্বসাধারণকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু জানান, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অননুমোদিত তথ্য বিশ্বাস না করাই শ্রেয়।
তিনি স্পষ্ট করেন, পরীক্ষা ও ফলাফলসংক্রান্ত সব ধরনের সিদ্ধান্ত, সময়সূচি এবং দিকনির্দেশনা কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সময়মতো প্রকাশ করা হবে।
অর্থাৎ ফল প্রকাশের আসল তারিখ ঘোষণা হলে তা জানা যাবে শুধু এসব সরকারি ও অফিশিয়াল মাধ্যমেই। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া কোনো ছবি বা পোস্টের ভিত্তিতে তারিখ ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
প্রতি বছরই ফল প্রকাশের মৌসুমে এ ধরনের ভুয়া বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অযথা উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি তৈরি করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি কর্তৃপক্ষের পরামর্শ—কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তা অফিশিয়াল সূত্রে যাচাই করুন। গুজব ছড়ালে তা অন্যদের জন্যও বিভ্রান্তির কারণ হয়।
ফল প্রকাশের প্রকৃত তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। ঘোষণা এলে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে।
তাই ২৯ অক্টোবরের ভুয়া তারিখে নয়, নজর রাখতে হবে অফিশিয়াল ঘোষণার দিকেই—এমনটাই বলছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।






