গিলকে ছাড়িয়ে ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়লেন ব্রুক
ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির নতুন রেকর্ড গড়েছেন ব্রুক। ভারতের শুভমান গিলের আগের রেকর্ড ভেঙে তিনি এখন একদিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বলে দ্বিশতক করা ব্যাটার।
ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি নিজেই বিরল এক কীর্তি। পঞ্চাশ ওভারের খেলায় একজন ব্যাটারের দুই শ রান করতে হলে শুধু বড় ইনিংসই নয়, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণাত্মক ছন্দ ধরে রাখতে হয়। সেই কীর্তিকে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে করে দেখানোয় ব্রুকের ইনিংসটি এখন রেকর্ড বইয়ে আলাদা জায়গা পেল।
আগের রেকর্ডটি ছিল শুভমান গিলের দখলে। ভারতীয় এই ওপেনারের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তিকে এত দিন ওয়ানডে ক্রিকেটের গতি ও আক্রমণের মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ব্রুক সেই মানদণ্ডটাই আরও ওপরে তুলে দিলেন।
আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটারদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা রেকর্ডের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে। একসময় যে স্কোর ছিল দলগত স্বপ্ন, এখন তা ব্যক্তিগত ইনিংসের পরিসরে এসে গেছে। ব্রুকের এই ডাবল সেঞ্চুরি সেই বদলে যাওয়া যুগেরই আরেকটি প্রমাণ।
দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির অর্থ হলো, ইনিংসজুড়ে রান তোলার গতি কখনোই কমেনি। বাউন্ডারির প্রবাহ ধরে রাখা, স্ট্রাইক ধরে রাখা এবং উইকেট হাতে রেখে ঝুঁকি নেওয়ার ভারসাম্য—সবকিছু একসঙ্গে মিললেই এমন ইনিংস সম্ভব হয়।
এই রেকর্ড ব্রুকের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজেকে বড় ম্যাচের ও বড় ইনিংসের ব্যাটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এটি একটি বড় বিবৃতি।
ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে এমন ইনিংসের আবেদন অন্য রকম। রেকর্ড ভাঙার মুহূর্ত, গ্যালারির উত্তেজনা আর প্রতিটি বাউন্ডারিতে রেকর্ডের দিকে এগিয়ে যাওয়া—সব মিলিয়ে ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
গিলের রেকর্ড ভাঙা গেলেও রেকর্ডের এই লড়াই এখানেই থামছে না। আধুনিক ক্রিকেটের ব্যাটিং ধারা যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে এই রেকর্ডও একদিন নতুন কারো হাতে ভাঙবে—সেই প্রতিযোগিতাই এখন সবার আগ্রহের কেন্দ্রে।
আপাতত রেকর্ড বইয়ের পাতায় নামটি ব্রুকেরই। ওয়ানডে ক্রিকেটের দ্রুততম দ্বিশতকের মালিক হিসেবে তাঁর এই ইনিংস আগামী দিনের ব্যাটারদের জন্য নতুন লক্ষ্য হয়ে থাকল।





