খুলনায় ক্লিনিকে মোটরসাইকেলে এসে গুলি ও ভাঙচুর, আহত রিসিপশনিস্ট; তদন্তে পুলিশ
খুলনা মহানগরীর বাবুখান রোডে সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে আসা ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এই হামলা চালায় বলে জানা গেছে।
হামলার সময় দুই চিকিৎসকের চেম্বার, রিসিপশন ও ক্যাশ কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় এক কর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। হামলায় ক্লিনিকের রিসিপশনিস্ট বিশ্বজিৎ সামান্য আহত হন।
ঘটনাটি ঘটে রাতের ব্যস্ত সময়ে, যখন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী, স্বজন ও কর্মীদের উপস্থিতি থাকা স্বাভাবিক। গুলি ও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, যদিও এই প্রতিবেদনে রোগীদের বিষয়ে আলাদা কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন জানান, ক্লিনিক লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এই পর্যায়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। চাঁদা, পূর্ববিরোধ নাকি অন্য কোনো বিষয়—কোনটির জেরে এই হামলা, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
মোটরসাইকেলে আসা ১০-১২ জনের দলটি কীভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং হামলার পর কোন দিকে যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য এই খবরে পাওয়া যায়নি। তদন্তকারীরা সাধারণত এ ধরনের ক্ষেত্রে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেন, তবে পুলিশ এ বিষয়ে আলাদা করে কিছু জানায়নি।
চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা সব সময়ই বাড়তি উদ্বেগের, কারণ সেখানে অসুস্থ মানুষ ও তাদের স্বজনরা থাকেন। বাবুখান রোডের এই ঘটনায় দুই চিকিৎসকের চেম্বার ভাঙচুরের তথ্য সেই উদ্বেগ আরও বাড়ায়।
আহত রিসিপশনিস্ট বিশ্বজিতের আঘাত সামান্য বলে জানানো হয়েছে। তার চিকিৎসা বা বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এর বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি। ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার হয়েছে কি না, তাও জানা যায়নি।
পুলিশের দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে তদন্ত চলমান থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও মামলার প্রক্রিয়া কত দ্রুত এগোয়।
এই ঘটনার পরবর্তী হালনাগাদ—বিশেষ করে হামলার কারণ, জড়িতদের পরিচয় ও আইনি পদক্ষেপ—জানা গেলে তা পাঠকদের জানানো হবে।






