অস্ট্রেলিয়ায় গবেষণার স্বীকৃতি বাংলাদেশি রবিউল আলমের, পেলেন কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার
অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের (ইউকিউ) মর্যাদাপূর্ণ ‘এন ভি ভার্গিজ প্রাইজ ফর কম্পারেটিভ এডুকেশন ২০২৬’ অর্জন করেছেন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মো. রবিউল আলম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশন থেকে গবেষণার মৌলিকত্ব, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং কম্পারেটিভ এডুকেশন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
এই প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা পুরস্কারের বিজয়ী নির্বাচনে একটি নির্বাচক কমিটির মূল্যায়ন ও সুপারিশ বিবেচনা করা হয়।
গবেষণার মান, মৌলিকত্ব এবং কম্পারেটিভ এডুকেশনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতাই ছিল বিজয়ী নির্বাচনে বিবেচনার মূল মাপকাঠি। সেই মূল্যায়নেই রবিউল আলমের কাজ স্বীকৃতি পেয়েছে।
রবিউল আলমের গবেষণার মূল বিষয় গ্লোবাল সাউথের একটি আধ্যাত্মিক পর্যটন প্রেক্ষাপটে বহুভাষিক যোগাযোগ, ভাষা ব্যবস্থাপনা ও ভাষার টেকসইতা।
গবেষণায় তিনি বিভিন্ন ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পটভূমির মানুষের যোগাযোগ, অংশগ্রহণ এবং ভাষা ব্যবস্থাপনায় সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ভূমিকা বিশ্লেষণ করেছেন।
তাঁর গবেষণা প্রথাগত শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ভাষা, সংস্কৃতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের সম্পর্ক বোঝার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অভিনন্দনবার্তায় ইউকিউর স্কুল অব এডুকেশনের প্রধান অধ্যাপক রবিন শিল্ডস আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সমাবেশে বহুভাষিক যোগাযোগ নিয়ে রবিউল আলমের গবেষণাকে ‘মৌলিক ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি গবেষকদের এমন স্বীকৃতি দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। ভাষা ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করা তরুণ গবেষকদের জন্য রবিউল আলমের এই অর্জন একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।
আধ্যাত্মিক পর্যটনের মতো প্রেক্ষাপটে ভাষা কীভাবে মানুষকে যুক্ত করে এবং কীভাবে সেই ভাষার টেকসইতা রক্ষা করা যায় — রবিউল আলমের গবেষণা সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে।
কম্পারেটিভ এডুকেশনের ক্ষেত্রে এই গবেষণার অবদানই তাঁকে এন ভি ভার্গিজ প্রাইজের মতো প্রতিযোগিতামূলক সম্মান এনে দিয়েছে।
বাংলাদেশি এই গবেষকের সাফল্য প্রবাসে পড়াশোনা ও গবেষণায় যুক্ত অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার।





