পূজার ছুটিতে সিলেটে পর্যটকের ঢল, হোটেলে জায়গা না পেয়ে মাজারে আশ্রয় অনেকের
পূজার ছুটিতে সিলেটে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। ছুটির এই ভিড়ে হোটেলে জায়গা না পেয়ে অনেকে মাজারে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে ছুটির দিনগুলোতে এই বাড়তি ভিড় এখন চোখে পড়ার মতো।
ছুটি পেলেই সিলেটমুখী মানুষের সংখ্যা বাড়ে—এবারের পূজার ছুটিতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই সিলেটে এসেছেন ছুটি কাটাতে, আর তাতেই শহরের হোটেলগুলোতে চাপ বেড়েছে।
হোটেল না পাওয়ার বিষয়টি এই ভিড়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। থাকার জায়গা খুঁজতে গিয়ে অনেক পর্যটককে বিপাকে পড়তে হয়েছে, আর শেষ পর্যন্ত অনেকে মাজারে আশ্রয় নিয়েছেন।
মাজারে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা থেকে বোঝা যায়, পর্যটকের সংখ্যা থাকার ব্যবস্থার ধারণক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। ছুটির মৌসুমে এই ধরনের পরিস্থিতি পর্যটকদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
সিলেট বিভাগ এমনিতেই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। ছুটির সময়ে এই অঞ্চলে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়লে পরিবহন, খাবার ও থাকার—সব খাতেই বাড়তি চাপ তৈরি হয়।
এবারের ছুটিতে সেই চাপ এতটাই বেড়েছে যে হোটেল খালি পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে থেকে বুকিং না করে আসা পর্যটকেরা এই ভোগান্তিতে পড়েছেন বেশি।
পর্যটকদের এই ঢল একদিকে যেমন সিলেটের পর্যটন খাতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত, অন্যদিকে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তুতির প্রশ্নটিও সামনে এনেছে। ভিড়ের সময়ে পর্যাপ্ত আবাসন না থাকলে সেই ইতিবাচক চিত্রের পাশেই ভোগান্তির গল্প জমে।
ছুটি শেষে পর্যটকেরা ফিরে গেলে ভিড় কমবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পরের ছুটির মৌসুমে একই ভোগান্তি এড়াতে হলে হোটেল বুকিং ও থাকার বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা জরুরি হয়ে পড়ে।
যারা সিলেট ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই অভিজ্ঞতা একটি বার্তাও বটে—ছুটির মৌসুমে আগে থেকে থাকার জায়গা নিশ্চিত করে আসাই সবচেয়ে নিরাপদ।
আপাতত পূজার ছুটির এই ভিড়ই সিলেটের আজকের সবচেয়ে আলোচিত চিত্র—হোটেল পূর্ণ, রাস্তায় পর্যটকের আনাগোনা, আর জায়গা না পেয়ে মাজারে আশ্রয় নেওয়া মানুষের ভোগান্তি।


