সিলেটে দায়িত্বরত অবস্থায় পূজামণ্ডপে গান গেয়ে এএসআই ক্লোজড, জুয়ার অভিযোগে আটক ৭
সিলেট বিভাগে পুলিশের দুটি পৃথক ঘটনা সামনে এসেছে। একটি ঘটনায় দায়িত্বরত অবস্থায় পূজামণ্ডপে গান গাওয়ার অভিযোগে একজন সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) ক্লোজড করা হয়েছে, অন্য ঘটনায় সিলেটে জুয়া খেলার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনের সময় পূজামণ্ডপে গান গাওয়ার ঘটনাটি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট এএসআইয়ের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ক্লোজড করা মানে তাকে তার কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সেই দায়িত্বের মধ্যে থাকা একজন পুলিশ সদস্যের মণ্ডপে গান গাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এই ঘটনায় এএসআইয়ের নাম, তিনি কোন থানা বা ইউনিটে কর্মরত ছিলেন এবং ঘটনাটি ঠিক কোন মণ্ডপে ঘটেছে—এসব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে এখনো সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সিলেটে জুয়া খেলার অভিযোগে সাতজনকে আটকের খবর দিয়েছে আই নিউজ। অভিযোগ অনুযায়ী, জুয়ার আসর থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, তারা ঠিক কোথা থেকে আটক হয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনে মামলা বা পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে—সেসব বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ পায়নি।
পূজার মৌসুমে সিলেট বিভাগজুড়ে মণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের তৎপরতা থাকে বেশি। সেই সময়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা এবং পাশাপাশি জুয়াবিরোধী অভিযানে আটকের ঘটনা—দুটোই স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এবারের পূজা প্রসঙ্গে আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, খাদ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী এবার পূজায় তারা আগের তুলনায় বেশি সরকারি অনুদান পেয়েছেন। পূজা ঘিরে সরকারি সহায়তা ও নিরাপত্তা—দুটো বিষয়ই এবারের উৎসবে গুরুত্ব পেয়েছে।
এএসআই ক্লোজডের ঘটনায় বিভাগীয় কোনো তদন্ত বা পরবর্তী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। সাধারণত ক্লোজডের পর সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
জুয়ার অভিযোগে আটক সাতজনের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও মামলার অগ্রগতি জানা গেলে এই দুটি ঘটনার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাবে। বড়লেখা টুডে পাঠকদের জন্য পরবর্তী তথ্য পাওয়া মাত্র তা প্রকাশ করবে।




