…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › স্বাস্থ্য › খবর
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — আবদুল কুদ্দুস, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ
স্বাস্থ্য

চিকিৎসানির্ভর ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধনির্ভর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক • পড়ার সময়: ৩ মিনিট

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শুধু চিকিৎসানির্ভর কাঠামো থেকে সরিয়ে প্রতিরোধনির্ভর বা প্রিভেনশনাল ব্যবস্থার দিকে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে রোগ প্রতিরোধকেই স্বাস্থ্যনীতির কেন্দ্রে আনার চেষ্টা চলছে।

‘ট্রিটমেন্ট ফোকাস’ ব্যবস্থায় মূল জোর থাকে হাসপাতাল, ওষুধ ও চিকিৎসা সেবার ওপর; মানুষ অসুস্থ হওয়ার পরই ব্যবস্থাটি সক্রিয় হয়। এর বিপরীতে প্রিভেনশনাল ব্যবস্থায় গুরুত্ব পায় আগাম সতর্কতা, সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা ও জীবনযাপনের এমন অভ্যাস, যা রোগের ঝুঁকি শুরুতেই কমিয়ে দেয়।

এই পরিবর্তনের যুক্তিটি সহজ। অনেক রোগই প্রতিরোধযোগ্য পর্যায়ে ধরা পড়লে চিকিৎসার খরচ, জটিলতা ও ভোগান্তি — তিনটিই কমে। প্রতিরোধে বিনিয়োগ তাই একদিকে মানুষের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করে, অন্যদিকে দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা ব্যয়ের চাপও হালকা করে।

প্রক্রিয়াটি চলমান বলে জানানো হয়েছে, অর্থাৎ এটি কোনো এক দিনের ঘোষণা নয়, বরং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি রূপান্তর। নীতি, সেবার কাঠামো ও জনসচেতনতা — একাধিক জায়গায় একসঙ্গে কাজ না হলে এমন রূপান্তর টেকসই হয় না।

প্রতিরোধনির্ভর ব্যবস্থায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ভূমিকা সবচেয়ে বড়। মানুষের বাড়ির কাছাকাছি থাকা সেবাকেন্দ্রগুলো যদি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকাদান, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যশিক্ষার মতো সেবা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে বড় রোগের বড় অংশই আগেভাগে ঠেকানো সম্ভব হয়।

সচেতনতাও এই রূপান্তরের অপরিহার্য অংশ। খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মতো বিষয়ে মানুষের অভ্যাস বদল না হলে শুধু প্রতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে পুরো সুফল মিলবে না।

চিকিৎসানির্ভর ব্যবস্থা থেকে সরে আসা মানে চিকিৎসার গুরুত্ব কমে যাওয়া নয়। অসুস্থ মানুষের জন্য হাসপাতাল ও চিকিৎসা সেবা অপরিহার্য থাকবেই; প্রতিরোধনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি সেই সেবার চাপ কমিয়ে সীমিত সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহারের পথ দেখায়।

এ ধরনের রূপান্তরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ধারাবাহিকতা। নীতি ঘোষণার পর মাঠপর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেওয়া, জনবল প্রস্তুত করা ও মানুষের আস্থা অর্জন — প্রতিটি ধাপেই সময় ও সমন্বয় দরকার।

স্বাস্থ্য খাতের এই দিকবদল সফল হলে তার সুফল পৌঁছাবে প্রতিটি পরিবারে। কম অসুস্থতা মানে কম চিকিৎসা খরচ, কম কর্মদিবস নষ্ট এবং বেশি সুস্থ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী — যা অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক।

আপাতত জানানো হয়েছে, প্রক্রিয়াটি চলছে। এখন দেখার বিষয়, এই রূপান্তর কত দ্রুত ও কতটা কার্যকরভাবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিফলিত হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — জাকির হোসেন, সম্ভাব্য ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী, ৭ নং ওয়ার্ড, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন

স্বাস্থ্য বিভাগের আরও খবর

স্বাস্থ্য৩ মিনিটে পড়ুন

বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলের চক্ষু ওটিতে আগুন, পুড়ল অপারেশনের সরঞ্জাম

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বহির্বিভাগের পাশে থাকা ওই কক্ষে আগুন ছড়িয়…

স্বাস্থ্য৪ মিনিটে পড়ুন

ক্যানসার চিকিৎসায় যাবে স্বাস্থ্য বাজেটের বড় অংশ, যন্ত্রপাতিতে শুল্কমুক্তির ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতের বাজেটের একটি বিরাট অংশ ক্যানসারের চিকিৎসাসেবা উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার…