…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › আমেরিকা › খবর
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — আবদুল কুদ্দুস, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ
আমেরিকা

সোমবার আলবার্টার স্বাধীনতা প্রশ্নে ঐতিহাসিক গণভোট, হারলেও হাল ছাড়বেন না বিচ্ছিন্নতাবাদীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক • পড়ার সময়: ৯ মিনিট

কানাডার তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ আলবার্টা স্বাধীন দেশ হবে কি না—সেই প্রশ্নে সোমবার প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন প্রদেশটির বাসিন্দারা। জরিপে স্বাধীনতার পক্ষের হারের সম্ভাবনাই বেশি দেখা গেলেও আন্দোলনের নেতারা বলছেন, ফল যাই হোক, এই লড়াই এখানেই শেষ হচ্ছে না।

কোরি মরগান ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে আলবার্টাকে স্বাধীন দেশ করার জন্য লড়ছেন। ‘পাথওয়ে টু ইন্ডিপেনডেন্স’ নামের অ্যাডভোকেসি সংগঠনের এই প্রতিষ্ঠাতা দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একটি দলের অংশ, যারা একসময়ের প্রান্তিক ধারণাকে ব্যালটে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। মরগান বলেন, ‘আমি ভোটারদের ইচ্ছাকে সম্মান করব। তারা যদি সিদ্ধান্ত নেন যে এখনো সেই পথে যাওয়ার সময় হয়নি, তবে তাই হোক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি থেমে যাব।’

সোমবারের এই প্রাদেশিক গণভোটে আলবার্টার বাসিন্দাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে, তারা ভবিষ্যতে স্বাধীনতার প্রশ্নে একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের পথে এগোতে চান কি না। ব্যালটে দুটি বিকল্প থাকবে: কানাডার অংশ হিসেবে থাকা, অথবা বিচ্ছিন্নতার ওপর ভবিষ্যৎ গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা।

দ্বিতীয় বিকল্পের পক্ষে ভোট মানেই আলবার্টা সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীন দেশ হয়ে যাবে না। কোনো প্রদেশ বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে তাকে প্রথমে অটোয়ার কেন্দ্রীয় সরকার, অন্যান্য প্রদেশ এবং ওই অঞ্চলে ও আশপাশে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে জটিল আলোচনার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

জরিপ বলছে, স্বাধীনতার পক্ষের জয়ের সম্ভাবনা কম; প্রদেশটির প্রতি পাঁচজনের চারজনই আলবার্টাকে কানাডার অংশ হিসেবে রাখতে চান। কিন্তু মরগানের নজর সেই একজনের দিকে, যিনি চান না। তাঁর ভাষায়, ‘সেটা এমন একটি আন্দোলন, যা চলে যাচ্ছে না।’

কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠক এই অস্পষ্টতাকেই কাজে লাগিয়ে মানুষকে গণভোটের পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহ দিচ্ছেন—তারা স্বাধীনতা না চাইলেও। আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক জ্যারেড ওয়েসলি বলেন, এরা হলেন ‘কৌশলগত বিচ্ছিন্নতাবাদী’; তারা কম বাধার এই সুযোগ ব্যবহার করে ভোটারদের আসলে ছেড়ে যাওয়ার জন্য নয়, বরং অটোয়াকে বার্তা পাঠানোর জন্য ভোট দিতে রাজি করাচ্ছেন—আলবার্টাবাসীকে শুনতে হবে।

ওয়েসলির কথা, সেই বার্তা কিছু ভোটারের কাছে পৌঁছাচ্ছেও। আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা উদ্যোগ ‘ভিউপয়েন্ট আলবার্টা’র তথ্য বলছে, গণভোটের সমর্থক ভোটারদের দুই-তৃতীয়াংশই বলছেন, তারা কৌশলগত কারণে—অটোয়াকে বার্তা পাঠাতে—এই অবস্থান নিচ্ছেন। মরগান এদের বলেন ‘অনিচ্ছুক বিচ্ছিন্নতাবাদী’, যারা ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছেন এবং কেবল চান অটোয়া মনোযোগ দিক।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলবার্টাবাসীকে এই কৌশল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। বৃহস্পতিবার ক্যালগারিতে কানাডাপন্থী এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘আপনার ভোট দিয়ে ‘বার্তা পাঠাতে’ পারবেন—এই ধারণায় প্রতারিত হবেন না। এটা পোকার খেলা নয়। কানাডার বিরুদ্ধে ভোট একটি বিপজ্জনক ধোঁকা, যা বছরের পর বছর গভীর বিভাজন ও বড় অনিশ্চয়তা ডেকে আনবে।’

এই গণভোটের পেছনে রয়েছে কয়েক দশকের ক্ষোভ। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে মনে করেন, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেলভান্ডারের অধিকারী আলবার্টা অটোয়াকে অত্যধিক অর্থ পাঠায়, দেশের বাকি অংশকে ভর্তুকি দেয়, অথচ বিনিময়ে পায় খুব কম। কেন্দ্রীয় জ্বালানি নীতিগুলো প্রদেশটির তেলশিল্পের সম্ভাবনাকে সীমিত করে—এমন অভিযোগও তাদের।

মরগানের কাছে এই ক্ষোভের শিকড় ১৯৮০-এর দশকে, যখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর সরকার জাতীয় জ্বালানি কর্মসূচি চালু করে। দাম নিয়ন্ত্রণ, কর ও মালিকানার নিয়ম দিয়ে কানাডার জ্বালানিকে সাশ্রয়ী রাখা এবং আলবার্টার রাজস্বের বড় অংশ অটোয়ার দিকে পাঠানো ছিল সেই নীতির অংশ। এটি পরে ‘পশ্চিমা বিচ্ছিন্নতাবোধ’ বা ওয়েস্টার্ন অ্যালিয়েনেশনের কেন্দ্রীয় প্রতীকে পরিণত হয়—পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর বঞ্চনাবোধ বোঝাতে ব্যবহৃত একটি শব্দ।

দশক পরে জাস্টিন ট্রুডোর আমলে সেই উত্তেজনা আবার ফিরে আসে। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া তাঁর মেয়াদে জাতীয় কার্বন কর ও নির্গমন সীমাসহ জলবায়ু নীতিগুলো আলবার্টার তেলখাতকে ক্ষুব্ধ করে। মরগান বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে একই বিষয় নিয়ে লড়ছি।’ এরপর কোভিড-১৯ মহামারিতে স্বাস্থ্যবিধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ রক্ষণশীল কর্মীদের নতুন প্রজন্মকে সংগঠিত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে নতুন প্রাণ জোগায়।

জরিপের রেটিং কমতে থাকায় জাস্টিন ট্রুডো ২০২৫ সালে লিবারেল পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন; তাঁর জায়গায় নির্বাচিত হন কার্নি। গত বছর বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথের সরকার গণভোট শুরু করা সহজ করে দেয়, যা স্বাধীনতার প্রশ্নকে রাজনৈতিক আলোচনায় এগিয়ে আনতে সাহায্য করে।

ওয়েসলির মতে, এই মুহূর্তটি স্বাধীনতার প্রতি জনসমর্থন বৃদ্ধির চেয়ে বেশি স্মিথের ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টির ভেতরের চাপের প্রতিফলন; দলটির সদস্যদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতার সমর্থন সাধারণ আলবার্টাবাসীর চেয়ে বেশি। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা গণভোট করছি কারণ ড্যানিয়েল স্মিথ চান আমরা গণভোট করি। তিনি দলের ভেতরের বিষয় মেটাতে একটি প্রশ্ন বৃহত্তর জনগণের সামনে ছুড়ে দিচ্ছেন।’

যদিও স্মিথ সোমবারের এই গণভোটের আয়োজন করেছেন, তিনি নিজে স্বাধীনতার প্রচেষ্টার বিরোধী এবং ১৪ অক্টোবর সামাজিকমাধ্যমে এক ভিডিওতে জানিয়েছেন, তিনি বিচ্ছিন্নতার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে, এখন আমাদের দেশের ওপর আশা ছেড়ে দেওয়ার সময় নয়—বিশেষ করে যখন আমরা এতদিন লড়েছি এবং এতদূর এসেছি।’

স্মিথের এই রাজনৈতিক ঝুঁকিকে ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, কার্নিও সেই তুলনা করেছেন। তখন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন নিজের রক্ষণশীল দলকে বিভক্ত করা বিতর্ক মেটাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার প্রশ্নে ভোট ডেকেছিলেন; ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ছাড়ার পক্ষেই রায় দেন, যা বছরের পর বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা ডেকে আনে।

তবে আলবার্টায় জন্ম নিয়ে এখন আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ইয়ান কুপার মনে করেন, আরও উপযোগী তুলনা হতে পারে ১৯৭৫ সালের আরেকটি ব্রিটিশ গণভোট, যেখানে ভোটাররা বিপুলভাবে তখনকার ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়ে থাকার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। সেই ভোট যারা দেশকে বাইরে চেয়েছিল, তাদের খুব কমই নিরস্ত করতে পেরেছিল; ব্রেক্সিটপন্থী কর্মীরা দীর্ঘ খেলা খেলেছিলেন—২৫ বছর লেগেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সফল হয়। কুপারের সন্দেহ, আলবার্টার বিচ্ছিন্নতা বিপুলভাবে পরাজিত হলেও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা একইভাবে দীর্ঘমেয়াদি পথ নিতে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘আমার ধারণা, তারা সত্যিকারের বিশ্বাসী এবং এটি প্রকৃত অর্থেই আদর্শচালিত।’

সোমবারের ভোটে হেরে গেলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কেন পিছিয়ে পড়ল, তা কঠোরভাবে পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে আরও শক্ত যুক্তি সাজাতে হবে বলে জানিয়েছেন মরগান। তিনি মনে করেন না, কানাডার ব্যবস্থার ভেতরে থেকে কাজ করে বা আরও সহানুভূতিশীল কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচিত করে মূল অভিযোগগুলোর সমাধান সম্ভব।

আলবার্টায় বেড়ে ওঠা কার্নি বৃহস্পতিবারের সমাবেশে স্বীকার করেন, অনেক আলবার্টাবাসীর হতাশা বাস্তব এবং অটোয়া মানুষকে এমন অনুভূতি দিয়েছে যেন ‘আমাদের সম্পদ আমাদের নিজের ছিল না’। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যেই তিনি আলবার্টার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করেছেন—কানাডার পশ্চিম উপকূলে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ ও বড় অবকাঠামো প্রকল্পের প্রতিশ্রুতিসহ।

মরগান স্বীকার করেন, যাদের লক্ষ্য কেবল অটোয়ায় বেশি দর-কষাকষির ক্ষমতা পাওয়া, তাদের জন্য ‘এটা স্পষ্ট যে আন্দোলনটি কার্যকর হয়েছে’। তাঁর ভাষায়, ‘গত ১০ বছরে আমরা কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যতটা ভালোবাসা পাইনি, গত এক বছরে তার চেয়ে বেশি পেয়েছি।’ কিন্তু স্থিরপ্রতিজ্ঞ স্বাধীনতাপন্থীদের জন্য সমস্যা হলো, ব্যবস্থায় কিছুই বদলায়নি। প্রধানমন্ত্রীরা আসেন-যান; ‘আমরা আরেকটি প্রতিকূল প্রধানমন্ত্রী থেকে মাত্র একটি নির্বাচন দূরে আছি’, বলেন তিনি।

স্বাধীনতার প্রশ্নটি সোমবারের ব্যালটে থাকা ১০টি প্রশ্নের একটি মাত্র। অন্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্থায়ী বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং আলবার্টাকে নিজের বিচারক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া। স্মিথ আলবার্টাবাসীকে বাকি নয়টি প্রশ্নের পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহ দিয়েছেন, যুক্তি দিয়ে বলছেন, এতে অটোয়ার সঙ্গে দর-কষাকষিতে তাঁর হাত শক্ত হবে। তাঁর ভাষায়, সেরা বার্তা হলো বাকি নয়টি প্রশ্নে শক্ত ম্যান্ডেট দেওয়া।

কুপারের মতে, আলবার্টাবাসী যদি সেই প্রস্তাবগুলো সমর্থন করেন কিন্তু অটোয়া ছাড় দিতে অস্বীকার করে, তবে আন্দোলন নতুন অস্ত্র পাবে—বর্তমান ব্যবস্থায় অর্থবহ পরিবর্তন অসম্ভব, এই যুক্তি তোলার জন্য। তাঁর কথা, ‘বাকি নয়টি প্রশ্নের ভেতরে ভবিষ্যৎ গণভোটের বীজ লুকিয়ে আছে।’ সোমবারের ফল যাই হোক, সেই বীজ আর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মিলিয়ে আলবার্টার স্বাধীনতা বিতর্ক যে এখানেই শেষ হচ্ছে না, তা প্রায় নিশ্চিত।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন — জাকির হোসেন, সম্ভাব্য ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী, ৭ নং ওয়ার্ড, ৫ নং দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন

আমেরিকা বিভাগের আরও খবর

আমেরিকা৩ মিনিটে পড়ুন

ওয়াশিংটনের শতবর্ষী গলফ কোর্সকে চ্যাম্পিয়নশিপ মাঠে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্পের

ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহাসিক সরকারি গলফ কোর্স ইস্ট পোটোম্যাক গলফ লিংকসকে বিশ্বমানের চ্যাম্পিয়নশিপ মাঠে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিড…

আমেরিকা৫ মিনিটে পড়ুন

প্রতিনিধি পরিষদ ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে আশাবাদী জেফরিস, ওহাইওতে প্রচারে ঝাঁপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ পুনর্দখলের লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন হাউস ডেমোক্র্যাটিক নেতা হাকিম জেফরিস। রোববার ওহা…

আমেরিকা৫ মিনিটে পড়ুন

কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুনে চার সেনা নিহত, আহত ৩৯

কানাডার আলবার্টা প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেশটির সেনাবাহিনীর চার সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩৯ জন আহত হয়েছেন। রোববার অটোয়া থে…

আমেরিকা৫ মিনিটে পড়ুন

মিশিগানে মুসলিম ব্রাদারহুড প্রশ্নে বিতর্কের ঝড়, পোস্ট মুছে ক্ষমা চাইলেন সিবিএস সাংবাদিক

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে নিয়ে বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। একটি টাউন হল অনুষ্ঠানে মুসলিম ব্রাদারহুড নিয়ে প্র…